← Spanda Karikas

Karika 1

यस्योन्मेषनिमेषाभ्यां जगतः प्रलयोदयौ तं शक्तिचक्रविभवप्रभवं शंकरं स्तुमः

অনুবাদ

যাঁর উন্মেষ (প্রকাশ) এবং নিমেষ (সংকোচন)-এর দ্বারা জগতের প্রলয় ও উদয় ঘটে, শক্তিচক্রের বিভব থেকে যাঁর আবির্ভাব, সেই শঙ্করকে আমরা স্তব করি।

অর্থ

এই মূল কারিকাটি স্পন্দ তত্ত্বের হৃদয়স্পন্দনকে নির্দেশ করে। এখানে বলা হয়েছে যে, সমগ্র বিশ্বজগতের সৃষ্টি ও ধ্বংস কোনো বাহ্যিক ঘটনা নয়, বরং তা পরম শিবের চৈতন্যের অভ্যন্তরীণ গতিশীলতার ফল। 'উন্মেষ' হলো সেই মুহূর্ত যখন চৈতন্য নিজেকে প্রকাশ করেন এবং জগত হিসেবে বিস্তৃত হন, আর 'নিমেষ' হলো সেই মুহূর্ত যখন তিনি আবার নিজের মধ্যে সংকুচিত হন এবং জগতকে লীন করে নেন। এই দুটি গতিই হলো স্পন্দন, যা স্থির শিব ও গতিশীল শক্তির অবিচ্ছেদ্য খেলারূপ।

শঙ্কর কেবল একজন দেবতা নন, তিনি হলেন সেই পরম সত্তা যিনি শক্তিচক্রের অসীম শক্তির মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করেন। এই শক্তিচক্রই হলো তাঁর বিভিন্ন রূপ ও কার্যাবলির সমষ্টি, যা দিয়ে তিনি এই জগৎকে সৃষ্টি, স্থিতি ও সংহার করেন। তাই জগতের উত্থান ও পতনের পেছনে কোনো যান্ত্রিক নিয়ম নেই, বরং রয়েছে এক জীবন্ত চৈতন্যের ইচ্ছাশক্তির স্পন্দন। আমরা যখন এই স্পন্দনকে চিনি, তখনই আমরা বুঝতে পারি যে জগৎ ও ঈশ্বর পৃথক নয়, বরং একই চৈতন্যের প্রকাশ ও সংকোচনের খেলা।

চিন্তন

আজ দিনভর যখনই কোনো ঘটনা ঘটবে বা কোনো আবেগ মনে উদয় হবে, তখনই ক্ষণেকের জন্য থামুন এবং লক্ষ্য করুন কীভাবে আপনার চেতনায় সেই অনুভূতির 'উন্মেষ' বা আবির্ভাব ঘটছে এবং কিছুক্ষণ পর তা কীভাবে 'নিমেষ' বা অন্তর্ধান করছে। এই ওঠা-নামার মাঝখানে যে স্থির সাক্ষী চৈতন্য বিদ্যমান, যিনি এই গতিগুলিকে কেবল দেখছেন কিন্তু নিজে অচল, সেই স্পন্দনশীল সত্তাকে অনুভব করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, এই পরিবর্তনশীল জগতের পটভূমিতে আপনিই হলেন সেই শঙ্কর, যার চৈতন্যের স্পন্দনে সবকিছু নাচছে।

A contemplative reading in the spirit of the Kashmir Shaivism (Spanda — the doctrine of vibration) tradition — an aid to reflection, not a substitute for a living teacher or the classical commentaries.

Get your free birth chart → Sign in and the readings shift to your own placements.

Go deeper